সংবাদ সম্মেলনে কৌশলী জবাব রেইন ট্রি কর্তৃপক্ষের

0
rain-tree-seal20170516124957
image_pdfimage_print

rain-tree-seal20170516124957

দিনবদল ডেক্স: রাজধানীর বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সাংবাদিকদের অধিকাংশ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে চলে যায় রেইনট্রি হোটেল কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে হোটেলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দ্য রেইনট্রি হোটেলের এমডি এইচ এম আদনান হারুন বলেন, ‘ঘটনার দিন হোটেলের ৭০০ ও ৭০১ নম্বর স্যুইট ভাড়া নিয়েছিলেন শাফাত। এদিন রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত হোটেলে অবস্থান করছিলেন হোটেলের মহাব্যবস্থাপক ফ্র্যাঙ্ক ফরগেট। এই সময় পর্যন্ত তিনি অস্বাভাবিক কোনো কিছু লক্ষ্য করেননি। তবে হোটেলের রুমগুলো সাউন্ড প্রুফ হওয়ায় কক্ষের ভেতর কোনও অপরাধ হলে হোটেল কর্মচারীদের পক্ষে বাইরে থেকে সেটা বুঝার কোনও সুযোগ ছিল না। বিষয়টি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেটা তদন্ত করছে। এ প্রসঙ্গে কিছু বলা যাবে না।’

ঘটনার দিন শাফাতের জন্য তার বন্ধু হোটেলের এক পরিচালক মাহির হারুন জন্মদিনের কেক পাঠিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আদনান হারুন বলেন, ‘হোটেলের রীতি অনুযায়ী জন্মদিনে অতিথিকে কেক উপহার দেওয়া হয়। এখানে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কের বিষয় নেই।’

এ সময় সাংবাদিকদের অধিকাংশ প্রশ্নের জবাব তিনি দেননি।

তবে এ সব প্রশ্নের জবাবে আদনান হারুন বলেন, ‘আমরা আপনাদের একটি প্রেস রিলিজ দিয়েছি। সেখানে আমাদের বক্তব্য লেখা আছে।’

দ্য রেইনট্রি হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচ এম আদনান হারুন ঝালকাঠি-১ আসনের সাংসদ বি এইচ হারুনের ছেলে।

গত ২৮ মার্চ রাতে রাজধানীর বনানীর ‘রেইনট্রি’ হোটেলে পূর্বপরিচিত ‘আপন জুয়েলার্সের’ কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে রাতভর ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। এ ঘটনায় গত ৬ মে বনানী থানায় করা মামলায় ৫ জনকে আসামি করা হয়। সাফাত ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—সাফাতের বন্ধু সাদমান সাকিফ ও নাঈম আশরাফ এবং তার দেহরক্ষী ও গাড়িচালক।

গত বৃহস্পতিবার সিলেটের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতারের পর শুক্রবার সাফাত ও সাদমানকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। সাদমান ‘পিকাসো রেস্তোরাঁর’ অন্যতম মালিক ও ‘রেগনাম গ্রুপের’ কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে সাফাত ও নাঈম দুই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছিলেন। অন্য তিনজন ছিলেন সহায়তাকারী। সাফাতের বন্ধু নাঈম ও গাড়িচালক বিল্লাল করেছিলেন ঘটনার ভিডিও।

About Post Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *