চাঁদের ছায়ায় বিশ্বমানচিত্রের প্রতিচ্ছবি—এমনই দাবি রফিকুল ইসলামের
এ.রহমান:
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট পিঠাখাওয়া গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম এক অদ্ভুত দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্যমতে, চাঁদের গায়ে যে ছায়া দেখা যায়, তা আসলে বিশ্বমানচিত্রের একটি প্রতিচ্ছবি। ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ‘বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে—যার শিরোনাম ছিল ‘আল্লাহ তাআলার দেওয়া তথ্য প্রকাশ’—রফিকুল স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনে তাঁর এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। পেশায় পাথর ও বালু ব্যবসায়ী রফিকুল জানান, প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পরই তাঁকে পড়াশোনা ছাড়তে হয়েছিল। তবে গত ১৭ বছর ধরে তিনি আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত আছেন। তিনি জানান, এক পূর্ণিমার রাতে ধ্যানে মগ্ন থাকা অবস্থায় তিনি নিজেকে চাঁদের কাছাকাছি দেখতে পান এবং চাঁদের ছায়ার ভেতর বিশ্বমানচিত্রের প্রতিচ্ছবি প্রত্যক্ষ করেন। তিনি বলেন, “এটি আমার নিজের কোনো কাজ নয়, বরং এটি বিজ্ঞানীদের কাজের বিষয়। মহান আল্লাহ আমাকে কেবল বিশ্বমানচিত্রটি দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনেও এর উল্লেখ রয়েছে এবং এটি মানবজাতির জন্য কল্যাণকর।” সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল আরও বলেন, “মানুষ কখনোই চাঁদে বসবাস করতে পারবে না। যারা বলে পৃথিবী আর বসবাসের যোগ্য নেই, কিংবা অন্য গ্রহে প্রাণের সন্ধান করতে হবে অথবা চাঁদে জমি কিনতে হবে—তারা আসলে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করছে।” তিনি সবাইকে তাঁর এই দাবি নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান। তিনি মন্তব্য করেন, “মানুষের কৌতূহলের কোনো সীমা নেই। আল্লাহ আমাকে এমন কিছু দেখার সুযোগ দিয়েছেন, যেখানে আমি শারীরিকভাবে পৌঁছাতে পারি না। যাদের মনে সন্দেহ আছে, তারা বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করতে পারেন অথবা কোনো এক পূর্ণিমার রাতে আমার সঙ্গে পুনরায় দেখা করতে পারেন।”


